(১২ তম ক্লাস)
য-ফলার উচ্চারণ রীতি
১. শব্দের প্রথমে য-ফলা যুক্ত হলে, বর্ণটি উচ্চারণে শাসাঘাত পড়ে এবং বর্ণটি "অ বা ও-কারান্ত" হলে প্রায়শয় এর উচ্চারণ এ্যা হয়। যেমন: ব্যক্ত> ব্যাক্ত এমনি ভাবে ব্যবসা,ব্যবস্থা,ব্যাহত, ব্যাকরণ,ব্যাসার্ধ, ব্যর্থ, ত্যক্ত, ন্যায়, ন্যায্য, খ্যাতি ইত্যাদি।
কিন্তু "য-ফলার" পরে যদি "ই,ঈ-কার" হয় তবে সে ক্ষেত্রে তার উচ্চারণ "এ্যা" না হয়ে "এ" হবে। যেমন: ব্যক্তিত্ব, ব্যতিহার, ব্যতিরেক, ব্যতিব্যস্ত, ব্যতিক্রম, ব্যতিব্যস্ত, ত্যজিয়া ইত্যাদি।
১. শব্দের প্রথমে য-ফলা যুক্ত হলে, বর্ণটি উচ্চারণে শাসাঘাত পড়ে এবং বর্ণটি "অ বা ও-কারান্ত" হলে প্রায়শয় এর উচ্চারণ এ্যা হয়। যেমন: ব্যক্ত> ব্যাক্ত এমনি ভাবে ব্যবসা,ব্যবস্থা,ব্যাহত, ব্যাকরণ,ব্যাসার্ধ, ব্যর্থ, ত্যক্ত, ন্যায়, ন্যায্য, খ্যাতি ইত্যাদি।
কিন্তু "য-ফলার" পরে যদি "ই,ঈ-কার" হয় তবে সে ক্ষেত্রে তার উচ্চারণ "এ্যা" না হয়ে "এ" হবে। যেমন: ব্যক্তিত্ব, ব্যতিহার, ব্যতিরেক, ব্যতিব্যস্ত, ব্যতিক্রম, ব্যতিব্যস্ত, ত্যজিয়া ইত্যাদি।
২. পদের মধ্যে বা অন্ত "য-ফলা" যুক্ত হলে, সে বর্ণেকে দ্বিত্ব করে দেয়। সে বর্ণটি অল্প প্রাণ হলে ১ম বার হসন্ত ওন২য় বার "ও-কারান্ত" হয়। যেমন: অদ্য> অদদো, শূণ্য, কন্যা, বন্যা, শস্য, পণ্য ইত্যাদি।
আর সে বর্ণটি মহা প্রাণ হলে ১ম বর্ণটি অল্প প্রাণ হসন্ত ও ২য় বর্ণটি মহা প্রাণ ও-কারান্ত হয়। যেমন: সভ্য> সবভো, সাধ্য, বধ্য, বাধ্য, কথ্য, পথ্য ধন্য, ধন্যবাদ ইত্যাদি।
আর সে বর্ণটি মহা প্রাণ হলে ১ম বর্ণটি অল্প প্রাণ হসন্ত ও ২য় বর্ণটি মহা প্রাণ ও-কারান্ত হয়। যেমন: সভ্য> সবভো, সাধ্য, বধ্য, বাধ্য, কথ্য, পথ্য ধন্য, ধন্যবাদ ইত্যাদি।
৩.শব্দের মধ্যে বা অন্তে সংযুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে "য-ফলা" যুক্ত হলেতার উচ্চারণ হয়। যেমন: সন্ধ্যা, স্বাস্থ্য, সত্যজিৎ, ইত্যাদি।
No comments:
Post a Comment